তৃতীয়বারের মতো সবচেয়ে পছন্দের ব্র্যান্ড ‘ফ্রেশ’

২০১৪, ২০১৫ ও ২০১৬ টানা তিন বছর ধরে ফুড ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশের ভোক্তাদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে ‘ফ্রেশ’ ব্র্যান্ডের পণ্য। সাম্প্রতিক সময়ে স্পেনভিত্তিক বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান কান্তার ওর্য়াল্ড প্যানেল এর ব্র্যান্ড ফুটপ্রিন্ট শীর্ষক স্টাডি এই তথ্য প্রকাশ করেছে। কান্তার ওর্য়াল্ড প্যানেল ক্রেতাদের আচরণ সংক্রান্ত গবেষণায় পৃথিবীর শীর্ষস্থানে রয়েছে।

পেনিট্রেশন, ফ্রিকোয়েন্সি এবং সিআরপি এই তিনটি তথ্যের ভিত্তিতে কান্তার ওর্য়াল্ড প্যানেল প্রতি বছর এফএমসিজি এর বিভিন্ন ক্যাটাগরির জনপ্রিয় ব্র্যান্ডের তথ্য – ব্র্যান্ড ফুটপ্রিন্ট রিপোর্টে প্রকাশ করে থাকে।

এ প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয় বিশ্বজুড়ে ভোক্তারা প্রতিদিন কিভাবে বিভিন্ন পানীয়, খাদ্য, স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্য এবং গৃহস্থালি পণ্য কিনছেন, ভোগ করছেন এবং ভোগের পেছনের অর্ন্তনিহিত কারণগুলো কী।

বিশ্বজুড়ে ৬০টি দেশে বিস্তৃত এ বাজার গবেষণা সংক্রান্ত তথ্য প্রদানের জন্য কাজ করছে কান্তার ওয়ার্ল্ড প্যানেলের ৩৫০০ জন কর্মীবাহিনী। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে খাদ্য, পানীয়, স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্য এবং গৃহস্থালি ক্যাটাগরির ২০০ অধিক পণ্যের বাজারসংক্রান্ত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে কান্তার ওয়ার্ল্ড প্যানেল প্রতি বছর এ প্রতিবেদন প্রকাশ করে থাকে।

 

২০১৬ সালে বাংলাদেশের ফুড ক্যাটাগরিতে টানা তৃতীয় বারের মতো ভোক্তা পছন্দের শীর্ষ স্থানে রয়েছে ‘ফ্রেশ’। ফ্রেশ ব্র্যান্ডের পণ্য সম্ভারে রয়েছে – মিল্ক পাউডার, পানি, চিনি, সয়াবিন তেল, সরিষার তেল, চা পাতা, আটা, ময়দা, সুজি, গুঁড়া মশলা, ডাল ও কনডেন্সড মিল্কসহ মোট ১১টি ক্যাটাগরির পণ্য সমগ্রী।

রিপোর্টে আরও বলা হয়, আজ বাংলাদেশের প্রায় প্রতি দুটি পরিবারের মধ্যে একটি পরিবার কোনো না কোনো ফ্রেশ এর পণ্য ব্যবহার করছে। ফুড ক্যাটাগরিতে পরবর্তী অন্যান্য ব্র্যান্ডগুলো হচ্ছে তীর, কোকোলা, মার্কস এবং রূপচাঁদা। সমগ্র এফএমসিজি ব্র্যান্ডের মধ্যে হিসাব করলে ২০১৫ সালের মতো ২০১৬ সালেও ১৫তম স্থান ধরে রয়েছে ‘ফ্রেশ’ ব্র্যান্ড। কান্তার ওয়ার্ল্ড প্যানেল নামক একটি পরিমাপক পদ্ধতি ব্যবহার করে যার মাধ্যমে নির্ণয় করা হয় দেশের মোট পরিবারের কতটি পরিবার একটি ব্র্যান্ড ক্রয় করছে (পেনিট্রেশন) এবং একটি পরিবার বছরে কতবার একটি ব্র্যান্ড ক্রয় করছে (ফ্রিকোয়েন্সি)।

Facebook Comments