রাজশাহীর বাঘায় পদ্মার পানি আবারও বাড়ায় নতুন করে প্লাবিত হয়েছে চরাঞ্চল। রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে আতারপাড়া, চৌমাদিয়া ও দিয়ারকাদিরপুরসহ অন্তত ১৫টি চরে বাড়ির উঠান পর্যন্ত পানি উঠেছে। এতে গবাদিপশু ও ঘরবাড়ি নিয়ে বিপাকে পড়েছেন সাড়ে ১৫ হাজারের বেশি মানুষ।
পানিতে তলিয়ে গেছে আতারপাড়া ও চৌমাদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রবেশপথ। শিক্ষার্থীরা বাধ্য হয়ে পানি মাড়িয়ে স্কুলে যাতায়াত করছে।
চৌমাদিয়া চরের বাসিন্দা সলেমান হোসেন বলেন, “২০০ পরিবারের প্রতিটি বাড়ির উঠানে পানি উঠেছে। কোথাও যাওয়া যাচ্ছে না, গরু-ছাগল নিয়েও মহাসমস্যায় আছি।”
চকরাজাপুর ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার আবদুর রহমান জানান, পদ্মার ভাঙনে ইতোমধ্যেই বিপুল জমি বিলীন হয়েছে। এখন আবারও পানিবৃদ্ধি মানুষের দুর্ভোগ বাড়িয়েছে।
স্থানীয় শিক্ষক গোলাম মোস্তফা বলেন, “পদ্মার ভাঙনে চকরাজাপুর মোজার চিহ্ন হারিয়েছে। কালিদাসখালী চরেরও অধিকাংশ অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।”
রাজশাহী পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) গেজ রিডার এনামুল হক জানান, রোববার সকাল ৮টায় পদ্মার পানি ছিল ১৬ দশমিক ৮২ মিটার, যা বিপৎসীমার (১৮ দশমিক ৫ মিটার) নিচে। তবে পানি আরও বাড়ছে বলে আশঙ্কা রয়েছে।