আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহার বন্ধ থাকছে। এর পরিবর্তে বিলবোর্ড ব্যবহারের অনুমতি থাকলেও তা সীমিত রাখা হয়েছে। একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ২০টি বিলবোর্ড ব্যবহার করতে পারবেন বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
ইসির ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, বিলবোর্ড তৈরিতে অধিক ব্যয় হয়। সীমাহীন বিলবোর্ড ব্যবহার করলে প্রার্থীদের নির্বাচনী ব্যয় নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করার আশঙ্কা থাকে। এছাড়া অতিরিক্ত বিলবোর্ড ব্যবহারে পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া এবং প্রার্থীদের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এসব কারণে এ বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ বলেন, “রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালায় বিলবোর্ড ব্যবহারের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।”
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, শুধু ডিজিটাল বিলবোর্ডে আলোর ব্যবহার করা যাবে। তবে সাধারণ বিলবোর্ডে আলোকসজ্জা নিষিদ্ধ থাকবে।
নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, “প্রার্থীর প্রচারে বিলবোর্ড ব্যবহার অতীতে ছিল না; এবার নতুনভাবে যুক্ত করা হয়েছে। পোস্টার ব্যবহার বন্ধে সংস্কার কমিশনেরও প্রস্তাব ছিল, আমরা তাতে একমত হয়েছি। ব্যানার ও ফেস্টুন ব্যবহারের সংজ্ঞায়ও পরিবর্তন আনা হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, সরকারি সুবিধাভোগী অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির তালিকায় এবার উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ফলে তারা কোনো প্রার্থীর পক্ষে প্রচারে অংশ নিতে পারবেন না। একই সঙ্গে সার্কিট হাউস, ডাক বাংলো ও রেস্ট হাউস ব্যবহারে কিছু নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।